জেলা প্রশাসন, নেত্রকোণা

নৈসর্গিক নেত্রকোণা

সর্বশেষ তথ্য
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব উইমেন্স কর্ণারে আপনাকে স্বাগতম। আমাদের সেবাসমূহ পেতে ‘আবেদন করুন’ বাটনে ক্লিক করুন। আমাদের কার্যক্রম সম্পর্কে আপনার যেকোনো মূল্যবান মতামত দয়া করে ‘মতামত’ ফর্মটিতে আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার ও মতামত সহ লিপিবদ্ধ করে সাবমিট করুন। ধন্যবাদ।
Sheikh-Mujibur-Rahman

প্রেক্ষাপট

কাজী মোঃ আব্দুর রহমান

(জেলা প্রশাসক, নেত্রকোণা)

একটি জাতির সত্যিকারের উন্নতি ও সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য নারীদেরকে বৈষম্যহীনভাবে পুরুষের সাথে এক কাতারে দাড়াঁনোর সুযোগ করে দিতে হবে। ১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সংবিধান এবং বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রীয় নীতি ও কাঠামোতে নারী-পুরুষ সাম্য, সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেন। মহান সংবিধানের ২৭, ২৮, ২৯ ও ৬৫(৩) অনুচ্ছেদে নারীর অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সুস্পষ্ট অংগীকার প্রতিফলিত হয়েছে। তাছাড়া, এস ডি জি’র অন্যতম ৫ নং অভীষ্ট (জেন্ডার সমতা অর্জন এবং

সকল নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন), অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় নারীর ক্ষমতায়ন ও বেকারত্ব হ্রাসে গৃহীত পদক্ষেপ, বর্তমান সরকার প্রণীত নারীবান্ধব বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার রয়েছে। সে আলোকে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারন করে বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বত্তোম ব্যবহারের মাধ্যমে নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের দিগন্ত উন্মুচিত হয়েছে।


রাষ্ট্রীয় দর্শন ও সরকারের নীতি আদর্শ বাস্তাবায়নের লক্ষ্যে নারীদের জন্য বিশেষ একটি প্ল্যাটফরম প্রতিষ্ঠার ধারণা থেকে

বঙ্গঁমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব উইমেন্স কর্ণার প্রতিষ্ঠা করা হয়। জেলা প্রশাসনে কাজ করতে গিয়ে দেখা যায় নারীগণ বিভিন্ন সমস্যা ও আবেদন নিয়ে জেলা প্রশাসনের নিকট আসেন। কিন্তু তাদের জন্য বিশেষ কোনা প্লাটফরম না থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই তাদের প্রার্থীত সেবা তারা পেয়েছেন কিনা, সে বিষয়টিও নিশ্চিত হওয়া যায় না। তা ছাড়া নারীরা যে কোন সময় যে কোন জায়গা হতে তাদের আবেদনের বিষয় জানানোর বিশেষ সুযোগও বর্তমানে কম। পাশাপাশি নারীগণ জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অন্য কোন সংস্থার সেবা পাওয়ার আবেদন করেন কিন্তু, সুনির্দিষ্ট কোন ব্যবস্থাপনা না থাকায় সেবা প্রার্থীর আবেদনের বিষয়ে ফলো আপ করা বা তথ্য পাওয়া যায় না। ফলে নারীগণ যথাযথ সেবা প্রাপ্তি হতে বঞ্চিত হন। বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব উইমেন্স কর্ণার এর মাধ্যমে নারীদের জন্য বিশেষায়িত একটি প্লাটফরম তৈরি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে নেত্রকোণা জেলার যে কোন নারী যে কোন সময় যে কোন স্থান হতে আবেদন করতে পারবেন এবং তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উক্ত আবেদন সমূহ কোথায় কি অবস্থায় নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে তা জানা যাবে এবং সেবা প্রাপ্তির বিষয়টি নিষ্পত্তি করা যাবে।


বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব উইমেন্স কর্ণার তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক একটি সমন্বিত ও বিশেষায়িত প্লাটফরম হিসেবে নারীদের জন্য দ্বিধাহীন আঙিনা গড়ে তুলবে, যার মাধ্যমে নারী পুরুষের সমতার ক্ষেত্রে বড় একটি অগ্রগতি সাধিত হবে।


বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের অসামান্য অবদান ও তাঁর স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে “No Women will be left behind in Netrokona District” শীর্ষক স্লোগানটি ধারণ করে জেলা প্রশাসন নেত্রকোণা কর্তৃক এ জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারীদের স্বাবলম্বী এবং স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত করার মাধ্যমে তাদের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত কল্পে “বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব উইমেন্স কর্ণার (BSFMWC)” শীর্ষক একীভূত অনলাইন প্লাটফর্ম প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। গত ০৮ মার্চ ২০২১ তারিখ আর্ন্তজাতিক নারী দিবসে এটি চালু করা হয়। মহতী এই উদ্যোগটি নেত্রকোণা জেলায় নারীর শিক্ষা অর্জন, বাল্যবিবাহ নিরোধ, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, দারিদ্র বিমোচন, জেন্ডার সেন্সিটিভিটি তৈরি, নারীর ক্ষমতায়ন এবং আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।


Sheikh-Mujibur-Rahman

বঙ্গমাতাকে জানুন

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব

(৮ আগস্ট ১৯৩০ - ১৫ আগস্ট ১৯৭৫)

শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ১৯৩০ সালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম ছিল রেনু। তার পিতার নাম শেখ জহুরুল হক ও মাতার নাম হোসনে আরা বেগম। ১৯৩৮ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে তার বিয়ে হয়। লেখাপড়ার শুরুটা পরিবার এবং গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুলে পড়ালেখা করলেও পরবর্তীতে ঘরে থেকেই পড়াশোনা চালিয়ে যান।


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা সংগ্রামের সুদীর্ঘ পর্যায়ে প্রেরণাদায়ী হিসেবে সর্বদা ছায়ার মতো বঙ্গবন্ধুর আজীবনের সহযোগিতায় ছিলেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। শেখ মুজিবুর রহমানের জাতির পিতা হয়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান যে নারীর, তিনি তার সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকলেও তিনি জীবনভর বঙ্গবন্ধুকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। সংসারের দায়িত্ব তিনি একাই সামলে নিয়েছিলেন, বঙ্গবন্ধু নিশ্চিন্তে মন দিয়েছেন দেশের কাজে । বঙ্গমাতা ছিলেন মনে প্রাণে একজন আদর্শ নারী ,বিচক্ষণ উপদেষ্টা ও পরামর্শকারী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের অনুপ্রেরণার উৎস।

নেতাকর্মীদের রোগে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, কারাগারে অন্তরীণ কর্মীদের খোঁজ নেওয়া ও পরিবার-পরিজনদের সংকটে পাশে দাঁড়ানো ছিল তাঁর রুটিন ওয়ার্ক। বিভিন্ন আন্দোলনের সময় পার্টির কাজকর্মে বা আন্দোলনে খরচের টাকাও যোগাতেন তিনি এবং অনেক সময় বাজার হাট বন্ধ করে অথবা নিজের গায়ের গহনা বিক্রি করেও সংগঠনের জন্য অর্থের যোগান দিতেন।

১৯৪৬ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার এবং দুর্ভিক্ষের সময় বঙ্গবন্ধু যখন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, বিভিন্নভাবে মানুষের সেবা করেছেন, তার সাথে একই রকম মনোভাব নিয়ে সার্বক্ষণিক সমর্থন দিয়ে গেছেন শেখ ফজিলাতুন্নেছা। ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলনের পক্ষে জনমত গঠন করতে রাস্তায় নেমে লিফলেট বিতরণ করেছেন বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। এসময় তিনি নিজের গহনা বিক্রি করে সংগঠনের প্রয়োজনীয় চাহিদা মিটিয়েছেন। ৭ জুন ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু ও আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে ধর্মঘট সফলভাবে পালনে বেগম মুজিবের ভূমিকা ছিল অন্যতম। বঙ্গবন্ধু ও আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে সারা দেশে এই ধর্মঘট যাতে পালিত হয় এবং চলমান আন্দোলনের সফলতার জন্য তিনি নিরলস কাজ করেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত করার কাজে তার অবদান অপরিসীম। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি এড়িয়ে সংগঠনকে সংগঠিত করতেন, ছাত্রদের নির্দেশ দিতেন, প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতেন। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে পদে পদে তিনি আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করার ব্যাপারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে গেছেন। প্রকাশ্যে প্রচারে কখনোই আসেননি।

বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক কারণে প্রায়ই কারাগারে থাকলেও সেই দুঃসহ সময়ে বঙ্গমাতা হিমালয়ের মতো অবিচল থেকে একদিকে স্বামীর কারামুক্তিসহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, অন্যদিকে সংসার, সন্তানদের লালন-পালন, শিক্ষাদান, বঙ্গবন্ধুকে প্রেরণা, শক্তি ও সাহস যুগিয়ে স্বাধীনতা এবং মুক্তির সংগ্রামকে সঠিক গন্তব্যে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মুচলেকা দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে আইয়ুবের দরবারে যাওয়ার জন্য যখন প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল তখন শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মুচলেকা না দিয়ে নিঃশর্ত মুক্তির জন্য বন্দি স্বামীকে চিরকুট পাঠিয়েছিলেন এবং যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।তিনি বলেছিলেন প্যারোলে মুচলেকা দিয়ে আইয়ুবের দরবারে যেতে পারেন; কিন্তু জীবনে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে আসবেন না।

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের নেপথ্যেও ছিল তার সঠিক দিক নির্দেশনা। আন্দোলনের উত্তাল সময়গুলোতে নিজ বাড়িতে পরম মমতায় নির্যাতিত নেতা-কর্মী, আত্মীয় স্বজনদের আপ্যায়ন করতেন, সুবিধা-অসুবিধার কথা শুনে ব্যবস্থা নিতেন। বীরাঙ্গনাদের উদ্দেশে বঙ্গমাতা বলেছিলেন, ‘আমি তোমাদের মা।’ অনেক বীরাঙ্গনাকে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বিয়ে দিয়ে সামাজিকভাবে মর্যাদাসম্পন্ন জীবনদান করেন তিনি।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন অবিচল আস্থা, পরমসহিষ্ণু, দৃঢ়চেতা ও অসীম মনোবলের অধিকারী মনোবলের অধিকারী। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান স্বৈরশাসক বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায়। বঙ্গবন্ধু পরিবারের দুই সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল রণাঙ্গনে যুদ্ধরত। বঙ্গমাতা তার তিন সন্তান শেখ হাসিনা, শেখ রেহেনা ও শেখ রাসেলসহ গৃহবন্দী,সকল প্রকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। এমনই এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে তিনি একটুও মনোবল হারাননি।’

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। বিশেষ করে সম্ভ্রম হারানো আত্মত্যাগী, লাঞ্চিত মা-বোনদের পুনর্বাসনে সহযোগিতা, তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ ব্যক্তিগতভাবে তাদের পাশে দাঁড়ান এবং সামাজিকভাবে তাদের সুপ্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নেন। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসের একজন সাহসী নারী। দুর্বার সাহসে ইতিহাসের ক্রান্তিলগ্নে দিয়েছিলেন দূরদর্শী চিন্তার বার্তা। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ ফেলার সাহসী বার্তা তাকে ইতিহাসে করেছে অমর মহিয়সী নারী। নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য পরম আশ্রয়স্থল ছিলেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। নিঃসন্দেহে নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ সমতার ইতিহাসে তিনি আমাদের অনুকরণীয়।

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশ যখন ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল, ঠিক তখনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কাল রাত্রিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ঘাতকদের নির্মম বুলেটের আঘাতে শাহাদাত বরণ করেন।


বাঙালি জাতির ইতিহাসে ক্ষণজন্মা এই মহিয়সী নারী, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর এবং বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের সহযোদ্ধা। তিনি ছিলেন অসাধারণ বুদ্ধি, সাহস, মনোবল, সর্বং সহা ও দূরদর্শিতার অধিকারী। আমৃত্যু দেশ ও জাতি গঠনে তাঁর ছিল অসামান্য অবদান।বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়।


নারীদের প্রতি তাঁর অসামান্য অবদান, মমতা ও সহযোগিতার এই নিদর্শনকে আরো স্মরনীয় করে রাখতেই জেলা প্রশাসন, নেত্রকোনার উদ্যোগে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা উইমেন্স কর্ণার চালু করা হয়েছে যার প্রধান লক্ষ্য হল অসহায়, দুস্থসহ সকল মহিলাদের মায়ার পরশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া।


কি কি সেবা পাবেন
যে সকল সেবাসমূহ পাওয়া যাবে
  • আইনি সহায়তা
  • ভূমি সেবা
  • আর্থিক সহায়তা
  • ঋণ সহায়তা
  • প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সহায়তা
  • শিক্ষা সহায়তা
  • আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা
  • তথ্য ও প্রযুক্তিগত সেবা
  • উদ্যোক্তা সেবা
  • স্বাস্থ্যসেবা
  • ক্রীড়া, সংষ্কৃতি ও বিনোদন সংক্রান্ত সহায়তা
  • ডিজিটাল নিরাপত্তা সেবা
  • অন্যান্য
সেবা পেতে যা দরকার
সেবা গ্রহনের জন্য যা দরকার
  • যে কোন বয়সের নারীই এই সুবিধা নিতে পারবেন
  • সেবাগ্রহীতাকে অবশ্যই নেত্রোকোনার ভোটার হতে হবে
  • জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্মনিবন্ধন
  • মোবাইল নাম্বার
  • যে ধরনের সেবা পেতে আগ্রহী সে সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র
সেবাদানকারী দপ্তর ও প্রতিষ্ঠান
জেলা পর্যায়ে দপ্তরসমূহ
  • জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নেত্রকোণা
  • পুলিশ সুপারের কার্যালয়
  • সিভিল সার্জন কার্যালয়
  • জেলা লিগ্যাল এইড অফিস, নেত্রকোণা
  • শেখ কামাল আইটি, নেত্রকোণা
  • কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, নেত্রকোণা
  • জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস, নেত্রকোণা
  • জেলা মৎস্য কর্মকর্তার দপ্তর, নেত্রকোণা
  • বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  • হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয়, নেত্রকোণা
  • জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, নেত্রকোণা
  • জেলা শিক্ষা অফিস, নেত্রকোণা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, নেত্রকোণা
  • জেলা সমবায় অফিসারের কার্যালয়, নেত্রকোণা
  • আমার বাড়ি আমার খামার
প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা
প্রশিক্ষণ
  • নারী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ
  • উৎপাদন, বিপণন ও বাজার ব্যাবস্থাপনা প্রশিক্ষণ
  • স্টার্ট-আপ বিজনেস প্রশিক্ষণ
  • ই-কমার্স প্রশিক্ষণ
  • আইটি প্রশিক্ষণ
  • ড্রেস মেকিং প্রশিক্ষণ
  • ফ্যাশন ডিজাইন প্রশিক্ষণ
  • ব্লক, বাটিক প্রশিক্ষণ
  • নকশী কাথা তৈরি
  • ফুড প্রসেসিং প্রশিক্ষণ
ভাতা ও অন্যান্য সেবা সমুহ
ভাতা সমুহ
  • বয়ষ্ক ভাতা
  • বিধবা ভাতা
  • শিক্ষা ভাতা বা বৃত্তি
  • মাতৃত্বকালীন ভাতা
  • প্রতিবন্ধী ভাতা
  • অন্যান্য
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সমুহ
  • জেলা প্রশাসন, নেত্রকোণা কর্তৃক গৃহীত এ উদ্যোগ ভবিষ্যতে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যন্ত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে
  • আগামী ডিসেম্বর ২০২১ এর মধ্যে নেত্রকোণা জেলার সকল উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে
  • মার্চ ২০২২ এর মধ্যে নেত্রকোণার ৮৬ টি ইউনিয়নে বাস্তবায়ন করা হবে
  • মার্চ ২০২২ এর জেলার অন্যান্য অফিসে বাস্তবায়ন
  • ২০২২ অবশিষ্ট ৬৩ জেলায় এবং ৪৯৩ উপজেলায় বাস্তবায়ন করা
  • সমগ্র বাংলাদেশে বাস্তবায়নযোগ্য একটি মডেল হিসেবে নারী উন্নয়নের Single window platform বিবেচনায় মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ অথবা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একটি নির্দেশনা জারী করার জন্য সুপারিশ প্রেরণ করা হবে

ম্যাপ

ডিসি অফিস, নেত্রকোণা

প্রসেস ম্যাপ